সব গাইড

ই-কমার্স

ফেসবুক পেজ থেকে অনলাইনে বিক্রি বাড়ানোর ১০টি কৌশল

কনটেন্ট, রিভিউ, লাইভ ও রিটার্গেটিং — ফেসবুক পেজকে বিক্রির মেশিনে রূপ দেওয়ার বাস্তব কৌশল।

পেজ নয়, দোকান হিসেবে ভাবুন

ফেসবুক বিক্রি বাড়াতে প্রথম কাজ হলো পেজকে একটি সাজানো দোকানের মতো দেখানো—পরিষ্কার লোগো, কভার ফটো, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর, ঠিকানা এবং ওয়েবসাইট লিংক প্রোফাইলেই থাকতে হবে।

কনটেন্টের ৭০-২০-১০ নিয়ম

৭০% পোস্ট হোক উপকারী তথ্য বা টিপস, ২০% হোক ক্রেতার রিভিউ ও আনবক্সিং, আর মাত্র ১০% সরাসরি বিক্রির পোস্ট। এতে রিচ পড়ে না এবং অনুসারীরা বিরক্ত হন না।

ভিডিও সবচেয়ে বেশি কাজ করে

  • ৩০ সেকেন্ডের হাতে ধরা প্রোডাক্ট ভিডিও
  • প্যাকিং থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত রিয়েল ফুটেজ
  • ক্রেতার পাঠানো ভিডিও রিভিউ শেয়ার
  • সপ্তাহে অন্তত একটি লাইভ সেল

পিক্সেল ও রিটার্গেটিং

ওয়েবসাইটে Meta Pixel বসালে যাঁরা পণ্য দেখেছেন কিন্তু কেনেননি, তাঁদের আবার বিজ্ঞাপন দেখানো যায়। এই রিটার্গেটিং অডিয়েন্সে বিজ্ঞাপনের খরচ কম আর কনভার্সন সবচেয়ে বেশি হয়।

কমেন্ট ও ইনবক্সে দ্রুত উত্তর

গবেষণা বলছে, প্রথম ৫ মিনিটে উত্তর পেলে ক্রেতার কেনার সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অটো-রিপ্লাই সেট করে রাখুন এবং দামের প্রশ্নে সরাসরি দাম জানিয়ে দিন—“ইনবক্স করুন” লিখে ক্রেতাকে ঘোরাবেন না।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ফেসবুক পেজে কি প্রতিদিন পোস্ট দিতে হবে?
প্রতিদিন না পারলেও সপ্তাহে ৪–৫টি মানসম্মত পোস্ট রিচ ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট।
বুস্ট নাকি অ্যাডস ম্যানেজার—কোনটি ভালো?
অ্যাডস ম্যানেজার ভালো, কারণ সেখানে অডিয়েন্স, প্লেসমেন্ট ও কনভার্সন অবজেক্টিভ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
পোস্টে দাম লেখা উচিত?
হ্যাঁ। দাম লুকালে বিশ্বাস কমে এবং অপ্রয়োজনীয় ইনবক্স বেড়ে যায়।

inLantern-এ আজই কেনাকাটা শুরু করুন

ক্যাশ অন ডেলিভারি · বিকাশ / নগদ / রকেট · সারা দেশে ডেলিভারি

প্রোডাক্ট দেখুন

আরও পড়ুন